Wednesday, August 31, 2016

অলিম্পিক স্বর্ণপদকে স্বর্ণ আছে কতখানি, আর এর মূল্য কত?



অলিম্পিকের একটি পদকজয়ের জন্য কী আপ্রাণ চেষ্টাটাই না করেন খেলোয়াড়রা! চার বছরের নিরলস অনুশীলন, পরিশ্রমের পর হয়তো গলায় ঝোলাতে পারেন একটি স্বর্ণ বা রৌপ্যপদক। নিশ্চিতভাবেই এই পদকগুলোর আবেগীয় মূল্য পরিমাপযোগ্য নয়। কিন্তু বাস্তবে কত মূল্য এই পদকগুলোর? স্বর্ণপদকগুলো কি পুরোটাই স্বর্ণ দিয়ে তৈরি?১৯১২ সালের অলিম্পিকে শেষবারের মতো স্বর্ণপদক বানানো হয়েছিল পুরোটাই স্বর্ণ দিয়ে। তার পর থেকে অলিম্পিক স্বর্ণপদকে স্বর্ণ দেওয়া হয় খুবই কম পরিমাণে। এবারের রিও অলিম্পিকের স্বর্ণপদকে স্বর্ণ আছে মাত্র ১.২ শতাংশ। ৯৮.৮ শতাংশই বানানো হয়েছে রূপা দিয়ে। ওপরে শুধু দেওয়া হয়েছে স্বর্ণের প্রলেপ। সেই হিসেবে ৫০০ গ্রাম ওজনের এই অলিম্পিকের স্বর্ণপদকের বাজারমূল্য দাঁড়াবে ৫৬৫ ডলার। যদি পুরোটাই সোনা দিয়ে বানানো হতো তাহলে সেটার মূল্য দাঁড়াত ২১ হাজার ডলার।

রৌপ্যপদকের পুরোটাই অবশ্য বানানো হয় রূপা দিয়ে। সেটার বাজারমূল্য ৩১৫ ডলার। আর ব্রোঞ্জপদকের ৯৫ শতাংশই বানানো হয় তামা দিয়ে। বাকি পাঁচ শতাংশ জিংক। ব্রোঞ্জপদকের বাজারমূল্য খুবই নগণ্য। মাত্র ২.৩৮ ডলার।

এই হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের সাঁতারু মাইকেল ফেল্পস তাঁর ২৩টি স্বর্ণপদকের জন্য পাবেন মাত্র ১৩ হাজার ডলার। কিন্তু চারটি অলিম্পিকে অংশ নিয়ে এই ২৩টি স্বর্ণপদক জিতে ফেল্পস যে খ্যাতি ও সম্মান অর্জন করেছেন, ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন; তার কি কোনো মূল্য নির্ধারণ করা যায়? সেটা নিশ্চিতভাবেই থেকে যাবে অমূল্য এক প্রাপ্তি হিসেবে।

Post By Abu Talha

জেনে নিন ১ সেপ্টেম্বর যাদের স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে



বহুল কাঙ্ক্ষিত দেশের প্রায় ১ কোটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড বিতরণ করার জন্য প্রস্তুত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিকভাবে ২০১৪ ও ২০১৫ সালের ভোটারদের স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে। ২০১৪ সালে ভোটার হয়েছিলেন ৪৬ লাখ ৯৫ হাজার ৬৫০ নাগরিক এবং ২০১৫ সালে নতুন ভোটার হয়েছেন ৪৪ লাখ ৩২ হাজার ৯২৭ নাগিরক। এই দুই বছরের মোট ৯১ লাখ ২৮ হাজার ৬২২ জনকে স্মার্টকার্ড দেওয়ার পর ধারাবাহিকভাবে অন্যান্যদের মধ্যেও বিতরণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্মার্টকার্ড বিতরণ করার কথা রয়েছে।

স্মার্টকার্ডে রয়েছে ২৫ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এটি সহজেই কেউ নকল করতে পারবে না। এছাড়া এটি দিয়ে ২০ ধরনের নাগরিক সেবা পাওয়া যাবে। এগোলোর মধ্যে রয়েছে- আয়করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর, ড্রাইভিং ও ট্রেড লাইসেন্স, পাসপোর্ট ও সরকারি সহয়াতা-ভাতা প্রাপ্তি এবং বিমানবন্দরে ই-গেইটের মাধ্যমে আগমন ও বহির্গমন প্রভৃতি। এদিকে ১৮ বছরের নিচের বয়সীদেরও জাতীয় পরিচয়পত্র দেবে ইসি। সেক্ষেত্রে তারা প্রাপ্ত বয়স্ক হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ভোটার হয়ে যাবেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এনআইডি শাখা ইতোমধ্যে কমিশন বৈঠকে স্মার্ট কার্ড বিতরণে সব রকম প্রস্তাবনা উত্থাপন করার পর নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে সম্মতিও দিয়েছে। এনআইডি বিতরণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাচ্ছেন ঢাকার ভোটাররা। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যস্থানেও এই কার্ড বিতরণ করা হবে। বর্তমানে ১০টি মেশিনে কার্ড উৎপাদনের কাজ চলছে। প্রতিটি মেশিন মাসে ৫ লাখ কার্ড উৎপাদনের ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে ৯টি মেশিনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডারে উৎপাদন চলছে। আর একটি আগারগাঁওয়ের ইসলামী ফাউন্ডেশনে স্থাপিত এনআইডি শাখায় বসানো হয়েছে। স্মার্টকার্ড প্রস্তুত করে দিচ্ছে ফ্রান্সের একটি কোম্পানি। ১৮ মাসের মধ্যে কোম্পানিটি ৯ কোটি এনআইডি প্রস্তুত করে দেবে।

জানা গেছে, স্মার্টকার্ড বিতরণের সময় নাগরিকদের ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবিও সংরক্ষণ করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি এলাকায় ক্যাম্প স্থাপন করে কার্ড বিতরণ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি নেবে সংস্থাটি। এজন্য প্রয়োজনীয় মেশিন কেনার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঢাকার ভোটারদের স্মার্টকার্ড দেওয়ার জন্য ৭৫টি ক্যাম্প করা হবে। যেখানে নাগরিকরা এসে তাদের কার্ড সংগ্রহ করবেন। প্রতিদিন প্রায় দুই লাখ ভোটারকে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি ভোটার রয়েছেন। এদের মধ্যে ৯ কোটি ১৮ লাখ ভোটার বর্তমান লেমিনেট করা জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন। যাদের সবাইকেই পর্যায়ক্রমে কার্ড সরবরাহ করবে ইসি। প্রতি কার্ডের জন্য খরচ হচ্ছে দুই ডলার। এর মেয়াদ হবে ১০ বছর। এর ফি দিয়ে নতুন করে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।


প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নেয় এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন বিগত নির্বাচন কমিশন। এরপর ২০১১ সালে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহেন্স অ্যাকসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) নামে আরেকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। লক্ষ্য ছিল কঠোর নিরাপত্তাবিশিষ্ট উন্নত মানের এনআইডি সরবরাহ করা। এ প্রকল্পের মেয়াদ প্রথমে ২০১৬ সাল পর্যন্ত থাকলেও তা বাড়িয়ে এখন ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
Post By Abu Talha

সোনার চেয়েও দামি এই ধাতু রয়েছে আপনার বাড়িতেই



একসময় এই ধাতু ছিল এত দামি যে, তা শোভা পেত রাজারাজড়ার মুকুটে। শুনতে যতই আজগুবি লাগুক, একসময় এই ধাতুর দাম ছিল সোনার চেয়েও বেশি।
এই ধাতু রয়েছে আপনার বাড়ির হাঁড়িকুড়ি বাসন-কোসনে। এই ধাতুর তৈরি ফয়েল আপনি ব্যবহার করেন খাবারদাবারকে টাটকা রাখতে। কিন্তু একসময় এই ধাতু ছিল এত দামি যে, তা শোভা পেত রাজারাজড়ার মুকুটে। শুনতে যতই আজগুবি লাগুক, একসময় অ্যালুমিনিয়ামের দাম ছিল সোনার চেয়েও বেশি।
যতদূর জানা যায়, অ্যালুমিনিয়াম প্রথম আবিষ্কৃত হয় রোমান সম্রাট টাইবেরিয়াসের আমলে, যিনি ছিলেন আজ থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগেকার মানুষ। রোমান ইতিহাসের একটি প্রামাণ্য টেক্সট থেকে জানা যায়, একবার এক ধাতু সংগ্রাহক এক অদ্ভুত ধাতুতে তৈরি একটি প্লেট উপহার দেন সম্রাটকে। ধাতুটি ছিল রুপার মতো দেখতে এবং ওজনে ছিল অত্যন্ত হালকা। ইতিহাসবিদদের ধারণা ওই প্লেটটি ছিল অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি। টাইবেরিয়াস এই প্লেট দেখে খুশি হওয়ার বদলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই আবিষ্কারকের প্রাণনাশের আদেশ দেন। কারণ সম্রাটের ভয় ছিল, এই নতুন ধাতুটি তৎকালীন রোমের সোনা ও রুপার বাণিজ্যে ভাঙন ধরাতে পারে।

টাইবেরিয়াসের নির্দেশে ওই আবিষ্কারকের মৃত্যু বৃহত্তর মানবসমাজে অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহারকে প্রায় ২ হাজার বছরের জন্য পিছিয়ে দেয়। উনিশ শতকের শুরুর দিকে ইউরোপে পুনরাবিষ্কৃত হয় অ্যালুমিনিয়াম। কিন্তু সেই সময় আবিষ্কৃত অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ ছিল এত অল্প, এবং বক্সাইট আকরিক থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাষণের প্রক্রিয়া ছিল এত জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়সাধ্য যে অ্যালুমিনিয়াম হয়ে ওঠে এক দুর্মূল্য ধাতু। ১৮৫৩ সালের একটি হিসেব থেকে জানা যায়, সেই সময় আমেরিকায় প্রতি বছর ৯৩ হাজার ৩০০ কিলোগ্রাম সোনা উৎপাদন হতো, কিন্তু অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাষণ হতো মাত্র ৯৩ কেজি। এই দুর্লভ অথচ ব্যবহারোপযোগী ধাতুটি স্বভাবতই দুর্মূল্য হয়ে ওঠে।
সঙ্গত কারণেই উনিশ শতকের ইউরোপে আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে ওঠে অ্যালুমিনিয়াম। ডেনমার্কের সম্রাট দশম ক্রিশ্চিয়ান অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি মুকুট পরিধান শুরু করেন। তৃতীয় নেপোলিয়ন তাঁর ডিনার টেবিলে অতিথিদের নজর কাড়ার জন্য অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি বাসনকোসন ব্যবহার শুরু করেন। এমনকী ১৮৮০-র দশকে আমেরিকায় যখন ওয়াশিংটন মনুমেন্ট তৈরি হয় তখন তার একেবারে শীর্ষে বসানো হয় অ্যালুমিনিয়ামের একটি ফলক।


১৮৮৬ সালে ইলেক্ট্রোলাইসিসের মাধ্যমে বক্সাইট থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাষণের পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়। এর ফলে অ্যালুমিনিয়াম তৈরির ব্যয় এক ধাক্কায় কমে যায় অনেকখানি। অ্যালুমিনিয়ামের উৎপাদনও বৃদ্ধি পায় অনেকখানি। এই সময় থেকেই অ্যালুমিনিয়ামের দাম কমতে শুরু করে। বিশ শতকের শেষ দিকে দেখা যায়, বাজার ছেয়ে গিয়েছে অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি জিনিসপত্রে। বাসনকোসন থেকে শুরু করে খাবার মোড়ার ফয়েল পর্যন্ত সবকিছুই তৈরি হচ্ছে অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে। এখন তো আমাদের ঘরে ঘরে অ্যালুমিনিয়াম। অ্যালুমিনিয়ামের এই প্রাচুর্য দেখে বিশ্বাস করা কঠিন যে, এককালে এই ধাতু ছিল সোনার চেয়েও মূল্যবান।





Post By Abu Talha

Sunday, August 28, 2016

১৪০০ বছর আগে রাসুল (সাঃ) এর বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে !


মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেনঃ "পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।"
- (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)

বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে, তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।
মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, "ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত"
- (সহীহ বুখারী ৫৫১৫)
বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার
জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা
কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে, অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম"
- (সহীহ বুখারী ৬১২৪)
বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।"
- (মুসলিম ১৬৫৫)
বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে।
- (সহীহ বুখারী ৩২৮০)
বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।"
- (সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪)
বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।
আল্লাহ সুবনাহু তায়ালা বলেন, "আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।"
- (বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)
বিজ্ঞান বলে, পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
আল্লাহ বলেন, "আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।"
- (আরাফ ২০৪)
বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে, ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারীকে সচল করা হয়।
দয়া করে শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।

Post By Abu Talha

Tuesday, August 23, 2016

আত্মহত্যা করাটা কোনও সমাধান হলো ?


আত্মহত্যা করাটা কোনও সমাধান
হলো ? কিসের জন্য
আত্মহত্যা করবে তুমি ? কার জন্য ?
একজন হীনমন্য মানুষ,
যে তোমাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য
করছে, যে তোমাকে এই সুন্দর পৃথিবীর
সমস্ত ভালবাসার, ভাললাগার মানুষদের
কাছ
থেকে চিরতরে দূরে সরিয়ে দিতে একবা
ভাবছে না - কি দরকার তার তোমার
জীবনে ? সে তো তোমার জীবনের
মূল্যই বোঝে না ! কেন তুমি তার জন্য
তোমার জীবন বিনাশ করে দিচ্ছো ?
কি মনে হয় তুমি চলে গেলে সে ও
তোমার সাথে সাথে চলে যাবে ? ভুল !
দিব্যি সে হাওয়া বাতাস
খেয়ে ঘুরে বেড়াবে ।
তুমি একজনের জন্য
কতজনকে একাকি করে দিচ্ছো জানো ?
কত মানুষ তোমার
পানে চেয়ে আছে সে খবর কি রাখো ?
তুমি ঐ একজনকে ছাড়ো, হাজারজন
তোমার পাশে দাঁড়াবে । তোমার
পানে চেয়ে থাকা ঐসব মানুষদের
কি কোনও অধিকার তোমার উপর নাই ?
সবার অধিকার নষ্ট করার অধিকার
তোমাকে কে দিয়েছে শুনি ? জবাব
আছে তোমার কাছে ?
চুপ করে আছো কেনো ???
তোমার
সৃষ্টিকর্তা তোমাকে সৃষ্টি করেছেন
আত্মহত্যা করার জন্য ??


Post By Abu Talha

Monday, August 22, 2016

সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-২০১৭ শিক্ষা বর্ষের অনার্স ভর্তি পরীক্ষার সম্ভব্য তারিখ


দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভব্য সময়সূচী ঘোষনা করেছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের উপাচার্যদের সংগঠন “বিশ্ববিদ্যালয় পরিশদ”। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের স্থায়ী কমিটির ২৪৭তম সভায় এ তারিখ ধার্য করা হয় বলে ফোরামের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ

১। ঢাবা বিশ্ববিদ্যালয়: ২৩, ২৪ ও ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ২১ ও ২৮ অক্টোবর (সকালে)
২। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: ২৩, ২৪ ও ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ২১ ও ২৮ অক্টোবর (বিকালে)
৩। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল: ১৪, ১৫, ২১ ও ২২ অক্টোবর
৪। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: ২৩-২৭ অক্টোবর
৫। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: ২৩-৩১ অক্টোবর
৬। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়: ৩-৫ নভেম্বর
৭। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়: ১৩-১৭ নভেম্বর
৮। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: ১৮-১৯ নভেম্বর
৯। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়: ১৯-২৩ নভেম্বর
১০। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: ১৯-২৭ নভেম্বর
১১। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়: ২৪-২৮ নভেম্বর
১২। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়: ২, ও ৯ ডিসেম্বর
১৩। ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়: ২৬ ডিসেম্বর ফাজিল সম্মান, ৮-২০ জানুয়ারী ফাজিল পাস
==============================================
১৪। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট): ২২ অক্টোবর
১৫। রাজশাহী প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ২৬ অক্টোবর
১৬। খুলনা প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ২৮ অক্টোবর
১৭। চট্টগ্রাম প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ৫ নভেম্বর
১৮। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়: ১৮ নভেম্বর
===================================================
১৯। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ২৯ অক্টোবর
২০। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ৮ নভেম্বর
২১। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ২৫ নভেম্বর
২২। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ৯ ডিসেম্বর
===================================================
২৩। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েস্নেস বিশ্ববিদ্যালয়: ৩ ডিসেম্বর
====================================================
২৪। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ৪-৭ নভেম্বর
২৫। নেয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ১১ ও ১২ নভেম্বর
২৬। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ২ ডিসেম্বর
২৭। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ১০ ও ১১ ডিসেম্বর
২৮। হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ১৮-২১ ডিসেম্বর
২৯। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ২৩ ডিসেম্বর

 ===================ধন্যবাদ সবাইকে=====================


নিজে জানুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।
Post By Abu Talha

Sunday, August 21, 2016

শুধুমাত্র তারিখ জেনেই বের করে ফেলুন ঐদিন কী বার ছিল


শুধুমাত্র তারিখ জেনেই বের করে ফেলুন ঐদিন কী বার ছিল?  অথবা আগামীতে ঐদিন কিবার হবে? খুব সহজ একটি পদ্ধতি জেনে নিন। আর বন্ধুদের চমকে দিন। বাজি ধরে বলুন এটা আপনি বলতে পারেন। ১০০% গ্যারান্টি। বাজিতে জিতবেনই! সাধারণত আমরা মাসের তারিখ মনে রাখতে পারলেও কোন্ তারিখ কিবার তা সহজে বলতে পারিনা। বিশেষ কারণ ছাড়া এটি বলে দেয়া অনেক কঠিন। কেউ জিজ্ঞেস করলে নিশ্চিত আপনাকে কম্পিউটারের সরণাপন্ন হতে হবে।
কিন্তু হাতের কাছে কম্পিউটার না থাকলে কি করবেন? কষ্ট করে তারিখ গুনে গুনে কতক্ষণে বের করবেন? খুব সহজ একটা নিয়ম জানা থাকলে আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বলে দিতে পারি যে কোন মাসের যে কোন নির্দিষ্ট তারিখ কি বার ছিল অথবা হবে।নিম্নের পদ্ধতিটি অনুসরণ করে প্রাকটিস করতে থাকুন। খুব সহজ এবং সঠিক।এজন্য প্রথমে আমাদের বার মাসের সংখ্যা মানগুলো মনে রাথতে হবে। ১২ মাসের সংখ্যা মান হচ্ছে যথাক্রমে- জানুয়ারী=৪, ফেব্রুয়ারী=৭, মার্চ=৭, এপ্রিল=৩, মে=৫, জুন=৮, জুলাই=৩, আগস্ট=৬, সেপ্টেম্বর=২, অক্টোবর=৪, নভেম্বর=৭, ডিসেম্বর=২।
এবার প্রত্যেক মাসের তারিখের সাথে সে মাসের সংখ্যামান যোগ করে যোগ ফলকে ৭ দ্বারা ভাগ করলে যদি ভাগ শেষ ০ (শুন্য) হয় তাহলে সে তারিখ হবে বৃহস্পতিবার এবং
১ হলে শুক্রবার
২ হলে শনিবার
৩ হলে রবিবার
৪ হলে সোমবার
৫ হলে মঙ্গলবার
৬ হলে বুধবার
উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক কেউ আপনাকে বলল জুলাই মাসের ১৪ তারিখ কী বার ছিল? তখন আপনি জুলাই মাসের সংখ্যামানের সাথে ১৪ যোগ করে অর্থ্যাৎ ৩+১৪= ১৭ এই ১৭ কে ৭ দ্বারা ভাগ করে ভাগশেষ যা হবে সেই ভাগশেষের মানই হবে উক্ত বার।
সুতরাং আমরা জানতে পারলাম, ভাগশেষ ৩ থাকলে হয় রবিবার। সুতরাং জুলাই মাসের ১৪ তারিখ হবে রবিবার।

ভাগফল যদি ভগ্নাংশ হয় তাহলে দশমিকে আগের সংখ্যার সাথে ১ যোগ করতে হবে যে ১৭/৭ =২.৪২৮ এখানে ৪২৮ এর পরিবর্তে ২ এর সাথে ১ যোগ করে ৩ বানাতে হবে। 

==========================ধন্যবাদ সবাইকে====================
ost By Abu Talha

Saturday, August 20, 2016

চলুন জেনে নিই কিভাবে আপনি ঘরে বসে দুরের কারো কম্পিউটার নিজের কন্ট্রোলে নিতে পারবেন।



ধরুন আপনি মোটামুটি কম্পিউটার মেরামত করতে দক্ষ আপনার কোন বন্ধু অনেক দুরে থাকে এবং তার কম্পিউটারে সমস্যা হলো এবং সে আপনার স্বরনাপন্ন হলো কিন্তু অতোদুরে গিয়া তার কম্পিউটার মেরামত করার সময় আপনার কাছে নেই এবং দুরত্ব বেশি হওয়াতে যেতে চাইছেন না
মজার ব্যাপার হলো এখন থেকে এই সমস্যা কোন সমস্যাই না কারন এখন থেকে আপনি ঘরে বসেই দুরের কারো কম্পিউটার মেরামত করতে পারবেন চলুন জেনে নিই কিভারে ঘরে বসেই দুরের করো কম্পিউটার মেরামত করা যায়?



এই কাজটি করা জন্য একটি সফটওয়ার লাগবে যার নাম teamviewer
প্রথমে আপনি আপনার বন্ধুকে http://www.teamviewer.com এই ওয়েব সাইটে গিয়ে সফটওয়ারটি ডাউনলোড করতে বলুন এবং ইন্সট্রল করতে বলুন 2016 সাল পর্যন্ত teamviewer এর লেটেষ্ট ভার্সন হচ্চে teamviewer-11  আপনিও সফটওয়ারটি ডাউনলোড করে ইন্স্ট্রল করুন ইন্সট্রল করার পরে এটি ব্যবহারকারীকে একটি ইউজার আইডি এবং একটি পাসওয়ার্ড দিবে আপনি আপনার বন্ধুর কাছ থেকে এই ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করুন এবার আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে teamviewer প্রগ্রামটি রান করান




এবং ডানপার্শের কন্ট্রোল রিমোট কম্পিউটার লিখা আছে তার নিচে দেখেন পার্টনার আইডি লিখা একটা ডায়ালগবক্স আছে সেখানে আপনার বন্ধুর দেয়া ইউজার আইডি দিয়ে নিচের রিমোট কন্ট্রোল অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে কানেক্ট পার্টনারে ক্লিক করুন কিছুক্ষণ পরে আরেকটি ডায়ালগ বক্স আসবে এবং সেখানে পাসওয়ার্ড চাইবে এবার আপনি সেখানে আপনার বন্ধুর দেয়া পাসওয়ার্টটি টাইপ করে ওকে ক্লিক করুন সাথে সাথে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারে আপনি যে প্রবেশ করতে চাচ্ছেন তা জানিয়ে তার অনুমোতি চেয়ে একটি নটিফিকেশন যাবে এবং সেখান থেকে আপনার বন্ধু যদি ওকে ক্লিক করে দেয় তাহলেই আপনার কম্পিউটারে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের স্ক্রিন শো করবে এবং আপনি তখন আপনার মাউস কি-বোর্ড দিয়ে আপনার বন্ধুর কম্পিউটার ফুল কন্ট্রোল করতে পারবেন


বিঃ দ্রঃ- এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অবশ্যই দুইটা কম্পিউটারেই ভালো স্পিডের ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে


এভাবে আপনি চাইলে কারো এ্যান্ড্রয়েড ফোনও কন্ট্রোল করতে পারবেন অথবা এ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়েও কারো কম্পিউটার কন্ট্রোল করতে পারবেন তবে যাই হোক লাইক শেয়ার এবং সাব্সক্রাইব করে এক্টিভ থাকলে পরবর্তীতে সে সম্পর্কে পোষ্ট দেব

=======================ধন্যবাদ সবাইকে===================

Post By Abu Talha